হনুমানের প্রতিশোধ

আগের দিন শাখামৃগোপাখ্যান লিখতে গিয়ে মা-এর সঙ্গে বাঁদরের বাঁদরামি নিয়ে অনেক গল্প হয়েছিল। তাতেই ধীরে ধীরে জানতে পারলাম যে উক্ত প্রাণীকূলের সঙ্গে আমাদের বেশ খানদানী সম্পর্ক – তাই বেশ কয়েকটি রোমহর্ষক কাহিনী থলের ভিতর থেকে বেরিয়ে পড়লো। সেই ঘটনাসমূহ সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিতে না পারলে আমার ঠিক প্রাণে শান্তি হচ্ছে না। অতএব, সাধু সাবধান… এই ঝুলি নড়ছে, এ-এ-ই ঝুলি নড়ছে…

বিস্তারিত পড়ুন

শাখামৃগোপাখ্যান

ক’দিন পূর্বে আমার বন্ধু মধুবন্তীর মুখপুস্তিকার পাতায় একটি মজার ছবির দর্শন মিলিয়াছিল – একটি ঘুমন্ত বাঁদর। চার-হস্ত-পদ একত্রিত করিয়া, খুব সম্ভবত নাসিকাভ্যন্তরে সর্ষপতৈল নিক্ষেপপূর্বক সে পরম শান্তিতে দিবানিদ্রায় নিমগ্ন – এমতাবস্থায় কোন উৎসাহী প্রকৃতিপ্রেমী চিত্রগ্রাহক/গ্রাহিকা তাহাকে ক্যামেরাবন্দী করিয়া ফেলে।

বিস্তারিত পড়ুন

মাতামহীরুহ

প্রতিদিন সকালে আমার ই-মেইল-এ বেশ অনেকগুলো করে কমিক্‌ স্ট্রিপ আসে। সেই ছোটবেলার অভ্যেস – আনন্দবাজারটা এলেই দ্বিতীয় পাতার নিচের বাঁদিকের কোণে অরণ্যদেব আর ম্যানড্রেক যাদুকরের গল্পে চোখ বুলিয়ে নেওয়া – সেইটা এখনও ছাড়তে পারিনি। অরণ্যদেব-ম্যানড্রেক এখনও পড়ি, তার সঙ্গে জুটেছে আরও গোটা দশ বারো বিভিন্ন লেখকের তৈরী কমিক্‌স্‌ – বিভিন্ন ধরণের। তার মধ্যে একটা হোলো “জিট্‌স্‌” – একটা টিন-এজার ছেলে, তার মা-বাবা এবং বন্ধুবান্ধবের গল্প। সবসময়ে যে এই ধরণের কমিক্‌স্‌-এর সঙ্গে নিজেকে আইডেন্টিফাই করতে পারি, তা নয় – অনেক সময়েই অজান্তে একটা “আমাদের সময়ে বাবা এরকম ছিলনা…” গোত্রীয় বুড়োটে চিন্তা চলে আসতে চায়। কিন্তু আজকের স্ট্রিপ-টা দেখে হঠাৎ ছোটবেলার কথা মনে পড়ে গেল।

বিস্তারিত পড়ুন