হনুমানের প্রতিশোধ

আগের দিন শাখামৃগোপাখ্যান লিখতে গিয়ে মা-এর সঙ্গে বাঁদরের বাঁদরামি নিয়ে অনেক গল্প হয়েছিল। তাতেই ধীরে ধীরে জানতে পারলাম যে উক্ত প্রাণীকূলের সঙ্গে আমাদের বেশ খানদানী সম্পর্ক – তাই বেশ কয়েকটি রোমহর্ষক কাহিনী থলের ভিতর থেকে বেরিয়ে পড়লো। সেই ঘটনাসমূহ সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিতে না পারলে আমার ঠিক প্রাণে শান্তি হচ্ছে না। অতএব, সাধু সাবধান… এই ঝুলি নড়ছে, এ-এ-ই ঝুলি নড়ছে…

বিস্তারিত পড়ুন

সেই যে আমার নানা রঙের দিনগুলি

কুন্তলার লেখার তারিফ করতে করতে সেদিন আমি আর আমার স্ত্রী একটা জিনিস আবার নতুন করে খেয়াল করলাম। ওর লেখার নান্দনিকতার একটা মেজর কারণ হোল ওর সৃজনশীলতা, বা ক্রিয়েটিভিটি – যার মাধ্যমে ওর চোখে সাধারণ জীবনের দৈনন্দিন ঘটনাগুলিও অসাধারণ হয়ে ধরা পড়ে, এবং এক্সপ্রেশন-এর গুণে অনন্য হয়ে ওঠে। আমার এক অতিপ্রিয় ভগিনীসমা বন্ধুরও এই গুণটি আছে – তার নাম শকুন্তলা, তার অশেষ গুণাবলীর কথা অন্য আরেকদিন ব্যাখ্যান করব না হয়, কিন্তু তার লেখার হাতটিও চমৎকার – যদিও এই মুহূর্তে আমার কাছে প্রমাণ চাইলে আমি অপারগ, কারণ বার বার করে ধাক্কানো সত্ত্বেও তিনি কিছুতেই একটা ব্লগ লেখা শুরু করছেন না, গজগজগজগজগজগজগজ। যাউকগ্যা, কিন্তু (শ)কুন্তলাদ্বয়ের লেখার এই একটা গুণ আমি খুব উপভোগ করে থাকি।

… নট টু মেন্‌শন, অফ কোর্স, হিংসায় জ্বলেপুড়েও যাই। ইস, আমি যদি এইরকম লিখতে পারতাম।

[দীর্ঘশ্বাস]

বিস্তারিত পড়ুন