মন্তব্য একান্তই নিষ্প্রয়োজন

টেক্সাস রাজ্যের হিউস্টন-এ ২০১৫-র উত্তর আমেরিকা বঙ্গসম্মেলন-এ যোগ দিতে গেছিলাম গত সপ্তাহের শেষে। সেখানে একটা অভূতপূর্ব অভিজ্ঞতা হলো, সেটা সবার সঙ্গে ভাগ না করে নিলে ঠিক পোষাচ্ছে না। রবিবার (গতকাল, সম্মেলন-এর শেষ দিন) দুপুরবেলা মধ্যাহ্নভোজের লাইন-এ দাঁড়িয়ে আছি, হাতে ট্রে, তার ওপর কাগজের প্লেট – সামনে পিন-পিন করে জ্বলা অগ্নিশিখার ওপরে রাখা অ্যাল-ফয়েল-এর ডিব্বায় রান্না করা বিভিন্ন পদ, লাইন চলতে চলতে সামনে দাঁড়িয়ে লোকে হাতা দিয়ে দিয়ে তুলে নিচ্ছে। আমিও তাই করছি, তখনি আমার ঠিক পিছনে দাঁড়ানো দু’জন ষাটোর্দ্ধ পক্ককেশ ভদ্রলোকের কথোপকথন কানে এল।

বিস্তারিত পড়ুন

হনুমানের প্রতিশোধ

আগের দিন শাখামৃগোপাখ্যান লিখতে গিয়ে মা-এর সঙ্গে বাঁদরের বাঁদরামি নিয়ে অনেক গল্প হয়েছিল। তাতেই ধীরে ধীরে জানতে পারলাম যে উক্ত প্রাণীকূলের সঙ্গে আমাদের বেশ খানদানী সম্পর্ক – তাই বেশ কয়েকটি রোমহর্ষক কাহিনী থলের ভিতর থেকে বেরিয়ে পড়লো। সেই ঘটনাসমূহ সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিতে না পারলে আমার ঠিক প্রাণে শান্তি হচ্ছে না। অতএব, সাধু সাবধান… এই ঝুলি নড়ছে, এ-এ-ই ঝুলি নড়ছে…

বিস্তারিত পড়ুন

সেই যে আমার নানা রঙের দিনগুলি

কুন্তলার লেখার তারিফ করতে করতে সেদিন আমি আর আমার স্ত্রী একটা জিনিস আবার নতুন করে খেয়াল করলাম। ওর লেখার নান্দনিকতার একটা মেজর কারণ হোল ওর সৃজনশীলতা, বা ক্রিয়েটিভিটি – যার মাধ্যমে ওর চোখে সাধারণ জীবনের দৈনন্দিন ঘটনাগুলিও অসাধারণ হয়ে ধরা পড়ে, এবং এক্সপ্রেশন-এর গুণে অনন্য হয়ে ওঠে। আমার এক অতিপ্রিয় ভগিনীসমা বন্ধুরও এই গুণটি আছে – তার নাম শকুন্তলা, তার অশেষ গুণাবলীর কথা অন্য আরেকদিন ব্যাখ্যান করব না হয়, কিন্তু তার লেখার হাতটিও চমৎকার – যদিও এই মুহূর্তে আমার কাছে প্রমাণ চাইলে আমি অপারগ, কারণ বার বার করে ধাক্কানো সত্ত্বেও তিনি কিছুতেই একটা ব্লগ লেখা শুরু করছেন না, গজগজগজগজগজগজগজ। যাউকগ্যা, কিন্তু (শ)কুন্তলাদ্বয়ের লেখার এই একটা গুণ আমি খুব উপভোগ করে থাকি।

… নট টু মেন্‌শন, অফ কোর্স, হিংসায় জ্বলেপুড়েও যাই। ইস, আমি যদি এইরকম লিখতে পারতাম।

[দীর্ঘশ্বাস]

বিস্তারিত পড়ুন

জিয়া নস্ট্যাল এবং গ্যালগ্যাল করে জিঙ্গল

আমার একটা ইয়ে আছে। মানে, স্মৃতিভ্রংশের বাতিক। পুরোপুরি না হলেও আংশিক তো বটেই। সেই কারণে অন্য অনেকের মতন আমি সাধারণভাবে নস্ট্যালজিয়ায় আক্রান্ত হইনা। তার চেয়েও সাঙ্ঘাতিক হল, পুরোন কথা বেশী মনে করার চেষ্টা করলে প্রায়শই মাথায় ফ (faux) বা নকল স্মৃতি ঢুকে পড়ে। হেই লেইগ্যা, আমারে পুরান কথা না জিগানোই মঙ্গল।

কিন্তু, মন্দের ভাল একটা ব্যাপার আছে। যেহেতু আমি গান ভালবাসি এবং সুরবোধ আছে, তাই অনেক সময়ে কোন গানের সুর একবার মাথায় বসে গেলে সেটা যেতে চায়না। স্মৃতির অতলে তলিয়ে থাকলেও মাঝে মাঝে বিনা প্ররোচনায় সার্ফেস করে আর জ্বালিয়ে মারে। কেন জ্বালিয়ে মারে? আরে, কাজকর্ম সব কিছুর মধ্যে মাথার মধ্যে গুনগুন করতে থাকে, কিছু বোঝার আগেই দুম করে বেরিয়ে পড়ে গলা দিয়ে, কি লজ্জার একশেষ!

বিস্তারিত পড়ুন