হনুমানের প্রতিশোধ

আগের দিন শাখামৃগোপাখ্যান লিখতে গিয়ে মা-এর সঙ্গে বাঁদরের বাঁদরামি নিয়ে অনেক গল্প হয়েছিল। তাতেই ধীরে ধীরে জানতে পারলাম যে উক্ত প্রাণীকূলের সঙ্গে আমাদের বেশ খানদানী সম্পর্ক – তাই বেশ কয়েকটি রোমহর্ষক কাহিনী থলের ভিতর থেকে বেরিয়ে পড়লো। সেই ঘটনাসমূহ সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিতে না পারলে আমার ঠিক প্রাণে শান্তি হচ্ছে না। অতএব, সাধু সাবধান… এই ঝুলি নড়ছে, এ-এ-ই ঝুলি নড়ছে…

বিস্তারিত পড়ুন

Advertisements

দৈর্ঘ্য প্রস্থ শশব্যস্ত

সেই ছোটবেলা থেকে – ইন ফ্যাক্ট, জ্ঞান হওয়া ইস্তক – দেখে আসছি যে আমার স্বর্গাদপি গরিয়সী জননী বেশ একটু ইয়ে, মানে, চওড়া মতন। সেই তুলনায় আমার বাবা বেশ অপেক্ষাকৃত রোগাসোগা। অনেকটা সেই ভানু ব্যানার্জীর রসিকতার মতন, যেখানে মুখ্য প্রোটাগনিস্ট-এর গলায় ভানু তার গৃহিণীকে বলছেন, “ই-ই-ই-স! রিক্সায় উইঠ্যা বইলে রিক্সাওলায় পর্যন্ত কয়, বাবু, আপনে মাইজীর কোলে চইড়্যা বসেন!” অথবা যেখানে মনের দুঃখে প্রোটাগনিস্ট-এর গৃহিণী অশ্রুবিধুর গলায় বলছেন, “তাই বলে এই ভর সন্ধ্যেবেলা তুমি আমার চেহারা তুলবে, শরীর তুলবে?” তাতে ভানু বলছেন, “না না, শরীর তুলুম ক্যান। শরীর তুলুম মনে করলে তো ওয়েট লিফটার হইতাম!” এই দুটোই আবার ক্যাসেট-এ শোনার আগেই আমি মা’র কাছেই প্রথম শুনি।

বিস্তারিত পড়ুন